ঢাকাMonday , 6 September 2021
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জীবন যাপন
  6. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  7. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  8. ধর্মীয় রীতিনীতি
  9. পার্ক
  10. প্রশাসন
  11. বিনোদন
  12. বিলাসী
  13. বিসিএস
  14. মামলা
  15. মোবাইল ফোন কোম্পনি
আজকের সর্বশেষ সব খবর

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো তে ক্লাস করানোর পরিবেশ আছে কি

Link Copied!

ঢাকার দোহারে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকসহ (স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা) বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন অপরিস্কার ও অপরিচ্ছন্ন থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

#New_Classic_Event_Management

বিশেষ করে এ বর্ষা মৌসুমে অতি বৃষ্টিতে বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার প্রায় শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ ও ভবনগুলোর চারপাশে ময়লা-আবর্জনা এবং ঘাস, লতা-পাতাসহ আগাছা জন্মানোর ফলে ওই প্রতিষ্ঠানগুলো যেন জ্ঞানের আলো ছড়ানোর পরিবর্তে মশা তৈরির প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। আর এতে ডেঙ্গু মশার আতংঙ্কে আশপাশের মানুষের দুশ্চিন্তা বাড়ছে।
দেশে করোনা মহামারির কারনে গত প্রায় ১৭ মাস যাবৎ প্রতিষ্ঠানগুলোতে আনুষ্ঠানিক পাঠদান বন্ধ থাকায় এমন পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান শিক্ষকরা। তবে বেশিরভাগ সময়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর অফিস কার্যক্রম চলমান থাকলেও স্কুলের পরিবেশ পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হয়নি। অথচ সকল প্রতিষ্ঠানেই রয়েছে, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী। সবার হাতে ব্যাপক ও বেকার সময় থাকলেও, প্রতিষ্ঠান পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার সময় যেন কারো হাতেই ছিল না। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব কার হাতে।

সম্প্রতি দোহারের কয়েকটি মাদরাসা, স্কুল, এবং কলেজসহ উপজেলার বেশিরভাগ প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা) এমন চিত্র দেখা গেছে।

বেগম আয়েশা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মোসাঃ কুলসুম বেগম বলেন, হাটা চলা না থাকায় মাঠের ঘাস বড় হয়ে গেছে। অতি বৃষ্টিতে চারপাশের পানি জমে পরিবেশের কিছুটা বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যে উপজেলা থেকে নির্দশনা দিয়েছে বিদ্যালয়ের পরিবেশ সুন্দর রাখতে। আমরা সে অনুযায়ী ইতিমধ্যে পদক্ষেপ নিয়েছি।এবং আজ ই মাঠের ঘাস কাটার জন্য বলা হয়েছে।

জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এম এ খালেক বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষ পরিস্কার পরিছন্ন করার কাজ ইতোমধ্যে চলতেছে। বিদ্যালয়ের মাঠ সহ আশপাশের পুরো শিক্ষাঙ্গন পরিস্কার করা হচ্ছে। আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লাস করানোর জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করছি।

জয়পাড়া কলেজে পিন্সিপাল মোঃ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমাদের কলেজ সরকার ঘোষিত আগামী ১২ সেপ্টেম্বর হতে ক্লাস করানোর জন্য সকল ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। আমরা শ্রেণীকক্ষে বসার আসন, ক্লাস রুম , কলেজ মাঠ সহ যাবতীয় সকল জিনিস পরিস্কার সহ ক্লাস করানোর উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য কাজ করছি।

পদ্মা সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ মোঃ জালাল হোসেন বলেন, আমরা পুরোপুরি প্রস্তুতি গ্রহণ করে ফেলেছি কলেজ খোলা মাএ আমরা সরকারি নির্দেশ মোতাবেক ক্লাস করাতে সক্ষম হবো বলে আশাবাদী। ইতিমধ্যে আমরা কলেজে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মকর্তাদের দ্বারা কলেজের পরিবেশ ঠিক রাখার কাজ অব্যাহত রেখেছি।
কলেজের আশপাশের এলাকা গুলো পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করেছি।

জানা গেছে, ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানগুলোকে বেশকিছু নির্দেশনা দিয়ে গত ২৫ জুলাই পরিপত্র জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পরিপত্রে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন চেয়ারম্যানকে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বিষয়ে নিয়মিত মনিটরিং করতে বলা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে সব শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে মনিটরিং করাসহ প্রতি সপ্তাহে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু দোহারের বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানে এমন কোন কার্যক্রম চোখে পড়েনি।
পরিপত্রে বলা হয়, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। অনেক মানুষ এতে আক্রান্ত হয়েছে ও হচ্ছে।

শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানগুলোর খেলার মাঠ এবং ভবনগুলোর মধ্যে পানি জমে থাকে এমন জায়গা, ফুলের টবে জমে থাকা পানি এডিস মশার উপযুক্ত প্রজননকেন্দ্র। ডেঙ্গুর বিস্তাররোধে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ লক্ষে দেশের প্রতিটি শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে খেলার মাঠ ও ভবনগুলো পরিষ্কার রাখা, মাঠ কিংবা ভবনে জমে থাকা পানি দ্রুত সরিয়ে ফেলতে বলেছে।

এছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য যেসব ফুলের টব রাখা রয়েছে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধের উপায়গুলো প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করতে নির্দেশ দিয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের ও শ্রেণিকক্ষের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতের জন্য পরিচ্ছন্ন ব্যাগ, টিফিনবক্স ও পানির পাত্র ব্যবহারে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করবেন শিক্ষকরা।

শ্রেণিকক্ষের সামনে ময়লা-আবর্জনার বিন রাখা ও ক্লাসরুমের চেয়ার-টেবিল-ব্ল্যাকবোর্ড পরিস্কার রাখতে হবে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে হবে। ছেলে ও মেয়ের জন্য পৃথক ওয়াশব্লকের ব্যবস্থা করতে হবে। পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে একাধিক মনিটরিং টিম থাকবে। খেলার মাঠ পরিস্কার ও খেলাধুলার উপযোগী রাখতে হবে। বিদ্যালয়ের দেয়ালে নীতিবাক্য ছাড়া অন্য দেয়াল লিখন বন্ধ করতে হবে। স্থান থাকা সাপেক্ষে মৌসুমি ফুলের বাগান করতে হবে।

অথচ উপরোক্ত নির্দেশনার (পরিপত্র) আলোকে উপজেলার সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করে দেখা গেছে, বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানে চিত্রই ভিন্ন।

অপর দিকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রকিব হাসান বলেন যেহেতু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আহবানে
শিক্ষা মন্ত্রী ডাঃ দিপু মনি নির্দেশনায় বলা হয়েছে আগামী ১২সেপ্টেম্বর দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার জন্য। দীর্ঘ দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো বন্ধ থাকায় পরিবেশ অনেকটা অস্বাস্থ্যকর এবং অনুপযোগী হয়ে আছে
সেহেতু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো খোলার মতো পরিবেশ উপযোয়ী করার জন্য।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি