ঢাকাWednesday , 11 August 2021
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জীবন যাপন
  6. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  7. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  8. ধর্মীয় রীতিনীতি
  9. পার্ক
  10. প্রশাসন
  11. বিনোদন
  12. বিলাসী
  13. বিসিএস
  14. মামলা
  15. মোবাইল ফোন কোম্পনি

লালমনিরহাট সদর খাদ্য গুদামে বেড়েছে অনিয়ম দুর্নীতি

Link Copied!

লালমনিরহাট সদর খাদ্যগুদামে দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে অনিয়ম। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কৃষকরা ধান আর মিল-চাতাল মালিকরা চাল খাদ্য গুদামে নিয়ে আসলে গুদামের কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের বস্তা প্রতি দিতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। তাই খাদ্য গুদামে ধান ও চাল দিতে আগ্রহী নন অনেকেই। ফলে চলতি মৌসুমে সদর খাদ্যগুদামে সরকারি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

#New_Classic_Event_Management

জানা যায়, চলতি মৌসুমে সরকারি ভাবে ধান ক্রয়ের জন্য সরকার প্রতি মন ধান ১ হাজার ৮০ দরে কৃষকদের নিকট থেকে ক্রয়ের সিন্ধান্ত নেন। এর অংশ হিসেবে লালমনিরহাট সদর খাদ্যগুদামে কৃষকদের নিকট থেকে ১ হাজার ১৫০ মেঃটন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু খাদ্যগুদামে ধান দিতে এসে নানা রকম হয়রানি ও বাড়তি টাকা নেয়ার কারণে কৃষকরা আসছেন না আর খাদ্যগুদামে। ফলে চলতি মৌসুমে মাত্র ৭৪২ মেঃটন ধান ক্রয় করেছে সদর খাদ্যগুদাম। অপরদিকে মিল-চাতাল মালিকরা অনেকেই সদর খাদ্যগুদামে চাল দিতে আগ্রহী নন।

খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুজ্জামানের অশোভনীয় ব্যবহার ও তার নির্দ্দেশে শ্রমিকরা বাড়তি টাকা নেয়ার কারণে ইতোমধ্যে কিছু মিল-চাতাল মালিকরা সদর খাদ্যগুদামে চাল দেয়া বন্ধ করেছেন। তারা বাড়তি গাড়ী ভাড়া দিয়ে তিস্তা খাদ্যগুদামে চাল দিচ্ছেন।

ফলে চলতি মৌসুমে লালমনিরহাট সদর খাদ্যগুদামে সরকারি লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান অর্জন হবে না আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া অবৈধ পন্থায় কৃষকদের ধান, চাতাল মালিকদের কাজ থেকে ক্রয় করে প্রতি টনে ১ হাজার টাকা করে বাড়তি নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুজ্জামানের বিরুদ্ধে।

মোগলহাট ইউনিয়নের ক্ষুদ্র কৃষক আব্দুল মালেক জানান, তিনি এ বছর খাদ্যগুদামে কোন ধান দেননি। তার ধান মশিউর নামে এক ব্যক্তি দিয়েছেন। বিনীময়ে তাকে ২ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। আর খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মশিউর কিভাবে ম্যানেঞ্জ করছে তা তিনি জানেন না। তিনি শুধুমাত্র ব্যাংকে টাকা উত্তোলন করতে গিয়ে ছিলেন।

লালমনিরহাট সদর খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুজ্জামানকে অফিসে না পাওয়ায় তার মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অনিয়মের বিষয়ে মোবাইলে কিছু বলা ঠিক নয়। কিছুক্ষন পরে অফিসে আসেন বসে কথা বলা যাবে।

লালমনিরহাট সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জহিরুল হক জানান, খাদ্যগুদামে বাড়তি টাকা নেয়ার বিষয়ে কিছু জানিনা। তবে সদর খাদ্যগুদামে চাল দিতে অনীহা প্রকাশ করেছে কিছু মিল চাতাল মালিকরা। এর মধ্যে গত মৌসুমে কয়েকটি মিল-চাতাল সদর খাদ্যগুদামে চাল দিতে অনীহা প্রকাশ করে তিস্তা খাদ্যগুদামে চাল দেন।

আর চলতি মৌসুমে যে সকল মিল চাতাল মালিকরা সদর খাদ্যগুদামে চাল দিতে অনীহা প্রকাশ করেছে তাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে সদর খাদ্যগুদামে চাল দিতে অনুরোধ করা হয়েছে।

লালমনিরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়গুলো আমার জানা ছিলো না। তবে এখন বিষয়গুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি