ঢাকাSunday , 6 June 2021
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জীবন যাপন
  6. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  7. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  8. ধর্মীয় রীতিনীতি
  9. পার্ক
  10. প্রশাসন
  11. বিনোদন
  12. বিলাসী
  13. বিসিএস
  14. মামলা
  15. মোবাইল ফোন কোম্পনি
আজকের সর্বশেষ সব খবর

রুপালি বালুচরে সবুজের বিপ্লব

Link Copied!

সাধন রায় (লালমনিরহাট প্রতিনিধি) লালমনিরহাট তিস্তা চরের বাসিন্দারা
কয়েক সপ্তাহ আগেও বন্যার পানিতে টইটম্বুর ছিল তিস্তার বুক। তখন পানির তোড়ে নদীতে বিলীন হয়েছে ঘরবাড়িসহ ফসলি জমি। কান্নায় ভারী হয়েছিল নদীপারের অসহায় মানুষের আহাজারি। কিন্তু তিন মাসের ব্যবধানে সেই তিস্তা এখন পানিশূন্য। বিদায় নিয়েছে বন্যা, বিদায় নিয়েছে পানি। জেগে উঠেছে তিস্তার বুকজুড়ে শুকনা বালুচর।

#New_Classic_Event_Management

তিস্তার রুদ্ররূপ ভুলে যাওয়া চরের বাসিন্দারা এখন ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন ফসল ফলানোর কাজে। খেতে সার দেওয়া, আগাছা পরিষ্কার করা, পানি দেওয়া, ফসলের যত্ন নেওয়াসহ নানা কাজে সময় পার করছেন চরের কৃষকেরা। দম ফেলানোর ফুসরত নেই কারও। সবার চোখেমুখে আগামীর স্বপ্ন বুননের ব্যস্ততা। রাশি রাশি বালুর বুকে কোদাল আর লাঙ্গঙলের ফলা চালিয়ে বীজ বপনে চাষ করছেন রবি মৌসুমের ১৮ ধরনের ফসল।

ফুটন্ত চরে পানি ঢেলে বালুকে শক্ত করে কৃষকেরা মিষ্টিকুমড়া,নানা ধরনের শাকসবজি। শুকনা মৌসুমে গেল বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ভালো ফসল ফলানোর সুযোগ । এ্যলা চর জাগছে। এই চরের হামরা কুমড়া, , শষা আবাদ করি। এত কষ্ট করি আবাদ করিয়া কোনো বছরে দাম পাই। ফির কোনো বছরেও দামে পাই না। দাম পাইলে তো গেরোস্তোর লাভ হয়, না পাইলে ক্ষতি। এই লোকসানটা আর পূরণ করা যায় না।

বিস্তীর্ণ মাঠে সবুজ ফসলের সমারোহ
একই এলাকার জাবেদ আলী ব্যস্ত স্যালো মেশিনে তোলা পানি খেতে ছিটানো নিয়ে। অনেক ব্যস্ততার ফাঁকে একটুখানি কথা হয় তার সঙ্গে।নদী একেবারে শুকি গেইচে। এ্যলা চাষ করার চরোত পানি নাই। কষ্ট করি, বোরিং করি পানি নেওয়া লাগে। অথচ বন্যার সময় পানি পাই। আবাদের সময় পানি পাই না। আবাদের সময় যে পানি কোথায় যায়, এক আল্লাহ মাবুদ জানে। আমাদের এই কষ্ট কেউ বোঝে না। অনেক সময় শুনি নদী খনন হবে, পানি সোগ সময় পাব। এই আশাতে থাকি, কিন্তু কিছুই তো হয় না। তারপরও আমরা বাঁচি থাকার জন্য আবাদ করতেছি। এই ফসল ফলানোই আমাদের কর্ম। যত ভালো আবাদ হইবে। সামনোত ততই ভালো থাকা যাইবে।

সাধন রায় (লালমনিরহাট প্রতিনিধি) লালমনিরহাট তিস্তা চরের বাসিন্দারা
কয়েক সপ্তাহ আগেও বন্যার পানিতে টইটম্বুর ছিল তিস্তার বুক। তখন পানির তোড়ে নদীতে বিলীন হয়েছে ঘরবাড়িসহ ফসলি জমি। কান্নায় ভারী হয়েছিল নদীপারের অসহায় মানুষের আহাজারি। কিন্তু তিন মাসের ব্যবধানে সেই তিস্তা এখন পানিশূন্য। বিদায় নিয়েছে বন্যা, বিদায় নিয়েছে পানি। জেগে উঠেছে তিস্তার বুকজুড়ে শুকনা বালুচর।

তিস্তার রুদ্ররূপ ভুলে যাওয়া চরের বাসিন্দারা এখন ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন ফসল ফলানোর কাজে। খেতে সার দেওয়া, আগাছা পরিষ্কার করা, পানি দেওয়া, ফসলের যত্ন নেওয়াসহ নানা কাজে সময় পার করছেন চরের কৃষকেরা। দম ফেলানোর ফুসরত নেই কারও। সবার চোখেমুখে আগামীর স্বপ্ন বুননের ব্যস্ততা। রাশি রাশি বালুর বুকে কোদাল আর লাঙ্গঙলের ফলা চালিয়ে বীজ বপনে চাষ করছেন রবি মৌসুমের ১৮ ধরনের ফসল।

ফুটন্ত চরে পানি ঢেলে বালুকে শক্ত করে কৃষকেরা মিষ্টিকুমড়া,নানা ধরনের শাকসবজি। শুকনা মৌসুমে গেল বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ভালো ফসল ফলানোর সুযোগ । এ্যলা চর জাগছে। এই চরের হামরা কুমড়া, , শষা আবাদ করি। এত কষ্ট করি আবাদ করিয়া কোনো বছরে দাম পাই। ফির কোনো বছরেও দামে পাই না। দাম পাইলে তো গেরোস্তোর লাভ হয়, না পাইলে ক্ষতি। এই লোকসানটা আর পূরণ করা যায় না।

বিস্তীর্ণ মাঠে সবুজ ফসলের সমারোহ
একই এলাকার জাবেদ আলী ব্যস্ত স্যালো মেশিনে তোলা পানি খেতে ছিটানো নিয়ে। অনেক ব্যস্ততার ফাঁকে একটুখানি কথা হয় তার সঙ্গে।নদী একেবারে শুকি গেইচে। এ্যলা চাষ করার চরোত পানি নাই। কষ্ট করি, বোরিং করি পানি নেওয়া লাগে। অথচ বন্যার সময় পানি পাই। আবাদের সময় পানি পাই না। আবাদের সময় যে পানি কোথায় যায়, এক আল্লাহ মাবুদ জানে। আমাদের এই কষ্ট কেউ বোঝে না। অনেক সময় শুনি নদী খনন হবে, পানি সোগ সময় পাব। এই আশাতে থাকি, কিন্তু কিছুই তো হয় না। তারপরও আমরা বাঁচি থাকার জন্য আবাদ করতেছি। এই ফসল ফলানোই আমাদের কর্ম। যত ভালো আবাদ হইবে। সামনোত ততই ভালো থাকা যাইবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি