ঢাকাThursday , 29 July 2021
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জীবন যাপন
  6. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  7. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  8. ধর্মীয় রীতিনীতি
  9. পার্ক
  10. প্রশাসন
  11. বিনোদন
  12. বিলাসী
  13. বিসিএস
  14. মামলা
  15. মোবাইল ফোন কোম্পনি
আজকের সর্বশেষ সব খবর

বৃষ্টি নেই সেচ দিয়ে ধান চাষ

Link Copied!

লালমনিরহাটে বৃষ্টির অভাবে ধানখেতের মাটি ফেটে চৌচির হচ্ছে। অন্য বছরগুলোয় জমিতে এই সময় হাঁটুসমান পানি থাকত, এবার সেচ দিয়েও জমিতে পানি ধরে রাখা যাচ্ছে না। তিন থেকে চার দিন পরপর সেচ দিলেও মাটি ফেটে যাচ্ছে।

#New_Classic_Event_Management

দুঃখ প্রকাশ করে কথাগুলো বলছিলেন লালমনিরহাট সদর উপজেলা কিশা মত ঢঢ গাছ, গ্রামের কৃষক জিয়া ইসলাম । তিনি দুই বিঘা জমিতে রোপা
আমন ধানের চাষ করেছেন।

আরেক কৃষক জগদীশ চন্দ্র , বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি জমবে, এই ভরসায় তুলনামূলক উঁচু জমিতে তিনি ধান চাষ করেন। কিন্তু এ বছর ঠিকমতো বৃষ্টি না হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন।

পানির অভাবে মাঠের ধান চাষ করতে পারছি না । অনেকে বেশি পয়সা ব্যয় করে সেচ দিচ্ছেন।তাদের হিসাবে একরে ৪০ থেকে ৪৫ মণ ধান উৎপাদিত হওয়ার কথা। কিন্তু বৃষ্টির অভাবে ধানগাছ ঝিমিয়ে পড়ছে, এতে উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ধানগাছগুলোও তরতর করে বেড়ে উঠছিল। আশা ছিল এক বিঘায় ১৮ থেকে ২০ মণ ধান পাবেন। কিন্তু পানির অভাবে হঠাৎ গাছগুলো থমকে গেছে। জমির মাটি ফেটে যাচ্ছে। এই সময় ধানের জমিতে বৃষ্টির পানি থাকে।

কিন্তু এবার অগভীর নলকূপ (শ্যালো মেশিন) দিয়ে পানি নিতে হচ্ছে। এতে তাঁদের খরচ বেড়ে যাচ্ছে। এরপরও তিন-চার দিন পরপর পানি দিয়েও মাটি ভিজিয়ে রাখা যাচ্ছে না। দ্রুতই মাটি ফেটে যাচ্ছে, আর এই ফাটা মাটিতে সেচের পানিরও বেশি প্রয়োজন হচ্ছে।

কৃষক রাকিবুল ইসলাম জানান, বোরো মৌসুমে তাঁরা অগভীর নলকূপ দিয়ে পানি দিয়ে ধান চাষ করেন। এক মৌসুমে বিঘাপ্রতি তাঁদের ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা দিতে হয়। আর রোপা আমন মৌসুমে বেশির ভাগ বৃষ্টির পানি ব্যবহৃত হয়। মাঝেমধ্যে সেচ দিয়ে থাকেন।

এর জন্য এক মৌসুমে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা দিতে হতো। এবার প্রথম থেকেই অগভীর নলকূপ দিয়ে সেচ দিতে হচ্ছে। মাঝেমধ্যে যে সামন্য বৃষ্টি হচ্ছে, তাতে এখনো জমিতে পানি জমছে না।

ফলে অগভীর নলকূপের সেচের ওপর তাদের নির্ভর করতে হচ্ছে। এতে উঁচু জমির চাষ হওয়া ধানের গাছগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে, আর নিচু জমিতে সেচ দিলেও ফলন নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

কিন্তু বৃষ্টির অভাবে কিছুটা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এবার জুন মাসে ৯৬ মিলিমিটার, জুলাই মাসে ১৭১ মিলিমিটার ও আগস্ট মাসে ১৯৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এই বৃষ্টি রোপা আমন চাষের জন্য খুবই সামান্য।

কৃষক রমজান আলী বলেন বর্তমানে ধানগাছ যে স্তরে আছে, তাতে একটু পানি কম থাকলেও ফলনের তেমন একটা ক্ষতি হবে না। তবে কৃষকের সেচ দিতে হলে খরচ বেশি হবে। ধানগাছে যখন মোচা (থোড়) হতো, তখন পানি কম হলে ফলন কমে যাবে।

তবে এখনো তাঁরা আশাবাদী বৃষ্টি হলে সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। উঁচু জমিতে যাঁরা ধান চাষ করেছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে একটু বেশি সমস্যা দেখা দিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি